Biography of the Mayor

নাম: ডা: মো: শফিকুল ইসলাম।

জম্ম সন ও জম্ম ইতিহাস: হাজী হামেজ উদ্দিন মৃধার ৯ পুত্র ও ৯ কন্যার মধ্যে ২য় পুত্র হাজী আহম্মদ আলী মৃধা, তার ৮ পুত্র ও ৬ কণ্যার মধ্যে ৪র্থ পুত্র ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম, পটুয়াখালী শহর সংলগ্ন টাউন জৈনকাঠী গ্রামের মৃধাবাড়ীতে ১৯৭০ সালের ৬ ই জানুয়ারী এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জম্মগ্রহণ করেন।

জম্মস্থান: মৃধা বাড়ী, টাউন জৈনকাঠী, ডাকঘরঃ পটুয়াখালী, থানা ও জেলাঃ পটুয়াখালী।

পারিবারিক বৃত্তান্ত ও পারিবারিক ইতিহাস: আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর পূর্বে পটুয়াখালী শহর সংলগ্ন লোহালিয়া নদী তীরবর্তী অরন্য ঘেরা টাউন জৈনকাঠী গ্রামে ঐতিহ্যবাহী মৃধা পরিবারের গোড়াপত্তন হয়। এ পরিবারের আদি পুরুষ মফেজ উদ্দিন দফাদার এর ২য় পুত্র জনাব আছের উদ্দিন মৃধার ৩ পুত্র ও ১ কন্যার মধ্যে ২য় পুত্র হাজী হামেজ উদ্দিন মৃধা। হাজী হমেজ উদ্দিন মৃধার ৯ পুত্র ও ৯ কন্যার মধ্যে ২য় পুত্র হাজী আহম্মদ আলী মৃধা। তার ৮ পুত্র ও ৬ কন্যার মধ্যে ৪র্থ পুত্র পটুয়াখালী পৌরসভার বর্তমান মেয়র ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম।

পটুয়াখালী শহরে শিক্ষা, ব্যবসা বানিজ্য ও সামাজিক কর্মকান্ড প্রসারে মৃধা পরিবারের রয়েছে বিশাল ভূমিকা। তাদের প্রতিষ্ঠিত হাজী এন্ড সন্স সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এলাকার অগনিত মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়াও এ পরিবারের রয়েছে দীর্ঘ ১০০ বছরের উজ্জল রাজনৈতিক ইতিহাস। বর্তমান মেয়র ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম এর দাদা হাজী হামেজ উদ্দীন মৃধা (কুটু মৃধা) ১৯৫৫ সনে ইউ পি মেম্বার ও ১৯৬০ সালে পটুয়াখালী পৌরসভার মেম্বার ছিলেন। তার বড় চাচা হাজী মোহাম্মদ আলী মৃধা ১৯৭৪ সনে পটুয়াখালী পৌরসভার কমিশনার ছিলেন। তার ছোট চাচা জনাব জব্বার মৃধা ১৯৮৯ সনে পটুয়াখালী পৌরসভার কমিশনার ছিলেন। তার পিতা হাজী আহম্মদ আলি মৃধা ১৯৬৫-১৯৭৩ সন পর্যন্ত পটুয়াখালী পৌরসভার নির্বাচিত কমিশনার ছিলেন। তার চাচত ভাই ও বড় বোনের স্বামী আলহাজ্জ এ্যাড: মো: সুলতান আহম্মেদ মৃধা বিপুল ভোটে পটুয়াখালী পৌরসভার চেয়াম্যন ছিলেন। তিনি ২০০৯ সালে পটুয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদ চেয়াম্যান নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়াও তার মামা মরহুম মান্নান হাওলাদার এক নাগারে ৪ বার জৈনকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

ব্যবসা বানিজ্য সহ সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে উজ্জল পদচারনা সহ শিক্ষার ক্ষেত্রেও এ পরিবারের রয়েছে গৌরবময় ঐতিহ্য। ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলামের পিতা হাজী আহম্মদ আলী মৃধা বরিশাল BM কলেজ থেকে BA পাশ করেন, এরই ধারাবাহিকতায় তার ১৪ সন্তানের মধ্যে সকলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রী ্অর্জন করে স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। হাজী আহম্মদ আলী মৃধার বড় ছেলে আলহাজ্জ মো: শাহ আলম মৃধা হাজী হামেজ উদ্দিন মৃধা কলেজের অধ্যক্ষ, ২য় ছেলে শহীদুল ইসলাম মৃধা (এম এ এল এল বি), এ্যাডভোকেট পটুয়াখালী জজকোর্ট, ৩য় ও ৪র্থ ছেলে ডাঃ মনির হোসেন ও ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে MBBS পাশ করে স্ব স্ব পেশায় প্রতিষ্ঠিত। ৫ম ও ৮ম ছেলে (এম এ এল এলবি), এ্যাডভোকেট । ৬ষ্ঠ ও ৭ম ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রী নিয়ে স্ব স্ব ব্যবসা ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। কন্যাদের মধ্যে লুৎফুনন্নেছা বেগম বর্তমানে পটুয়াখালী সদর উপজেলা চেয়াম্যান এর স্ত্রী, ২য় কন্যা গৃহিনী, ৩য় কন্যা সেলিনা বেগম পটুয়াখালী সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত। ৪র্থ কন্যা নাসরিন জাহান লাভলী অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানে হাজী হামেজ উদ্দিন মৃধা কলেজের প্রভাষক। ৫ম কন্যা আয়শা আক্তার সহকারী শিক্ষক হিসাবে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত এবং ষষ্ঠ কন্যা ডাঃ মারইয়াম আক্তার জলি MBBS .BCS (স্বাস্থ্য), সহকারী সার্জন, লাউকাঠী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত।

পরিবারের সদস্যদের উচচ শিক্ষিত করার পাশাপাশি এলাকার শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রেও মৃধা পরিবারের রয়েছে উজ্জল অবদান। তাদের প্রতিষ্ঠিত হাজী হামেজ উদ্দিন মৃধা কলেজ, ডোনাভান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ডোনাভান প্রথমিক বিদ্যালয় , মসজিদ মাদ্রাসা ও খানকা এতিম খানা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অস্যংখ ছাত্র ছাত্রী রয়েছে , এছাড়া পটুয়াখালী লতিফ মিউনিসিপাল সেমিনারীর শিক্ষক কমনরুম প্রতিষ্ঠায় ডাঃ মো: শফিকুল ইসলাম ৫০০০০০(পাঁচ লক্ষ) টাকা অনুদান দিয়েছেন। উল্লেখ্য এ পরিবারের মহিলা পুরুষ মিলিয়ে ২০ জন মহান হজ্বব্রত পালন করেছেন।

কিভাবে বড় হওয়া: লোহালিয়া নদী সংলগ্ন জৈনকাঠী গ্রাম এবং নদীর খুব কাছেই ডাঃ মোঃ শফিকের পৈতৃক নিবাস। গ্রামের অন্য দশটি ছেলের মতোই নদীতে সাতার কেটে বাড়ীর পাশের খেলার মাঠে খেলাধুলা করে অন্যান্য সহপাঠীদের সাথেই বেড়ে উঠা। তবে সাতার,খেলাধুলা ও লেখাপড়ায় তার অসাধারন মেধার কারনে শৈশব থেকেই অতি সহজেই তাকে আলাদা করা যেত। কখনো কখনো পিতা মাতার অবাধ্য হলেও তাদের অগাধ বিশ্বাস ছিল ছেলে লেখাপড়ায় ভাল করবেই, ফলে স্কুলে জীবনে সকল পরীক্ষতেই ১ম স্থান অধিকার করত। এ ছাড়া বাপ চাচা সহ বিশাল পরিবারের মধ্যে তার বেড়ে উঠা। ফলে শৈশবে থেকেই মানুষের সাথে মেশা ও মানুষের বিপদে এগিয়ে আসার পারিবারিক ঐতিহ্যে অভ্যস্থ ছিল।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ক্রমানুষারে) প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ:
১. ডোনাভান প্রথমিক বিদ্যালয়।
২. সরকারী জুবলী উচ্চ বিদ্যালয়।
৩. পটুয়াখালী সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ।
৪. বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
৫.নিউ কেসেল বিশ্ববিদ্যালয়(বাংলাদেশ ক্যাম্পাস)

শৈশবকাল, কৈশর ও যৌবনের বৃত্তান্ত: লাহালিয়া নদী তীরবর্তী জৈনকাঠী গ্রামে শৈশব কাটলেও পববর্তীতে লেখাপড়ার প্রয়োজনে পটুয়াখালীর পুরান বাজারস্থ নিজস্ব বাড়ীতে কৈশর ও যৌবনের অধিকাংশ সময়ে কেটেছে । সরকারী জুবলী স্কুলে অষ্ঠম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পরেন এবং পটুয়াখালী সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় সরাসরী ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িয়ে পরেন। পরবর্তীতে এর পূর্নাঙ্গ বিকাশ ঘটে শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে MBBS পড়া অবস্থায়। শৈশবে তিনি একদিকে যেমন ছিলেন বাবা মায়ের দূরন্ত ও মেধ্বাী সন্তান তেমনি কৈশোর ও যৌবনে ন্ধুদের নিকট ছিলেন প্রিয় এক মূখ, তিনি একদিকে যেমন ক্রিকেট ও ফুটবল খেলতেন তেমনি ছিলেন খেলাধূলার একজন সক্রিয় সংগঠক। তার অপার সাংগঠনিক দক্ষতায় নিজস্ব এলাকা পুরান বাজারস্থ ফ্রেন্ডস ইলেভেন ক্রিকেট দল একাধারে পটুয়াখালী ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে একাধারে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হয়, যা এখন পর্যন্ত পটুয়াখালীর যেকোন খেলায় ধারবাহিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষেত্রে রের্কড। এভাবেই লেখাপড়া ,খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়েই তার কৈশর ও যৌবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে। কিন্ত এত ব্যস্ততাও তার লেখাপড়ার ক্ষেত্রে কোন বাধার সৃষ্টি করতে পারেনি। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন পরোপকারী। নিজেদের হাত খরচ থেকে পয়সা বাচিয়ে তা দিয়ে ক্রিকেট ও ফুটবল টীম পরিচালনা করা সহ অসহায় দরিদ্র মানুষদের চিকিৎসায় আর্থিক সাহায্য প্রদান ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যপার। বরিশালে মেডিকেলে পড়া অবস্থায় বাড়ী থেকে প্রেরিত অর্থ থেকে টাকা বাচিয়ে পটুয়াখালী থেকে বরিশালে চিকিৎসার জন্য যাওয়া অগনিত মানুষের চিকিৎসা করিছেন। যার ধারাবাহিকতা এখনও বহাল রয়েছে।

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সচিত্র বিবরন: শিক্ষা জীবনের Result সহ:

RESULT
৫ম শ্রেণী ঃ প্রথম গ্রেড সরকারী বৃত্তি (ট্যালেন্টপুল)
৮ম শ্রেণী ঃ প্রথম গ্রেড সরকারী বৃত্তি (ট্যালেন্টপুল)
SSC ঃ স্টার
HSC ঃ ৭৩৭
MBBS ঃ Pssad ৯৫
MPH ঃ Pssad ২০০৮

সংসার/পারিবারিক জীবন: পারিবারিক জীবনে অত্যন্ত সুখী ডাঃ শফিক বরগুনা জেলার কুমড়াখালী গ্রামের বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রাক্তন অফিসার মরহুম মনোয়ার উদ্দিন ও আমতলীর ঐতিহ্যবাহী তালুকদার পরিবারের সাহেয়ারা বেগমের প্রথমা কন্যা কনিজ ফাতেমা (লুবা) এর সাথে ১৯৯১ সালের ৬ মার্চ বিবাহ বান্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে তাদের ২ সন্তান। তাদের ১ম জন সাজিদ আহমেদ (দীপ্ত) পটুয়াখালী সরকারী জুবলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে GPA-৫ (Golden) পেয়ে SSC পরীক্ষায় উর্ত্তীন হয়ে বর্তমানে বাংলাশের সেরা কলেজ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে একাদশ (বিজ্ঞান) প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত এবং এক মাত্র মেয়ে সাওদা ইসলাম পটুয়াখালী সরকারী বলিকা বিদ্যালয় থেকে চলতি বছরে PSC পরীক্ষা সমাপ্ত করেছে। এছাড়া ডাঃ শফিকুল ইসলামের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা উচ্চ শিক্ষিত এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত।

কর্ম জীবনের বৃত্তান্ত (শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত): স্কুলের টিফিনের পয়সা বাচিয়ে সঞ্চিত অর্থ দ্বারা পাড়ার ক্রিকেট, ফুটবল টীম পরিচালনা ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসায় সহায়তায় প্রদান যার ব্রত এর পক্ষে কোন বাধাধরা চাকুরী সম্ভব নয়। ফলে সরকারী চাকুরীর প্রলোভন ছেড়ে দরিদ্র অসহায় মানুষকে প্রকৃত চিকিৎসা সেবা দেয়ার প্রত্যায় MBBS পাশ করার পরে তিনি নিজে ও তার বড় ভাই ডাঃ মনির জেলা শহরে ২ টি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন। যার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা, হত দরিদ্র, প্রতিবন্ধী , অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে ও স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। ডাঃ শফিকুল ইসলাম ১২ বছরের তার কর্মজীবনে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৪০০০০ (চল্লিশ হাজার) অপারেশন করেছেন। বর্তমানে মেয়র হিসেবে তাকে অসম্ভব ব্যস্ত সময় কাঠাতে হয় তার পরও ২ টি ক্লিনিকে গভীর রাত পর্যন্ত অপারেশন করেন। যার অধিকাংই শহর ও বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা দরিদ্র মানুষ। তবে তিনি এখনও নিজেকে মেয়র হিসেবে নয় চিকিৎসক হিসেবেই নিজেকে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছ্যন্দ বোধ করেন- যা চিকিৎসা সেবার প্রতি এক ধরনের কমিটমেন্ট।

জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে ্অবদানের তথ্য ও প্রামান্যচিত্র সহ প্রতিবেদন:

বিভিন্ন ক্ষেত্রে ্অবদানের জন্য্ অর্জিত ট্রফি/সার্টিফিকেট ইত্যাদির প্রামান্য চিত্র:

১.পটুয়াখালী জেলার মুক্তিযোদ্ধো ও তাদেও পরিবারকে বিনামূল্যে স্বাস্থ সেবা প্রদান, বিভিন্ন ধরনের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা ও অপারেশনের ব্যবস্থা করার জন্য ২০০৯ সালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধো জহির রায়হান স্বর্নপদক।

২.হত দরিদ্র, নি:স্ব, অসহায় গরীব রোগীদের বিনামূল্যে ও স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করার জন্য ২০১০ সালে নোবেল বিজয়ী বিশ্ব মানবতার প্রতীক মাদার তেরেসা স্বর্ন পদকে ভূষিত।

সাংগঠনিক ও সামাজিক কর্মকান্ড:

১. ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মক্তি ক্লিনিক ও পরিচালক হেলথ কেয়ার ক্লিনিক এর মাধ্যমে দীর্ঘ ১২ বছর যাবত হত দরিদ্র, নি:স্ব, অসহায় গরীব রোগীদের বিনামূল্যে ও স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান।
২. সাধারন সম্পাদক ,স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, পটুয়াখালী জেলা।
৩. সাধারন সম্পাদক , বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ), পটুয়াখালী জেলা।
৪. কার্য নির্বাহী সদস্য, হাজী হামেজ উদ্দীন মৃধা কলেজ, পটুয়াখালী ।
৫. সাধারন সম্পাদক , ক্লিনিক মালিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা
৬. সাংগঠনিক সম্পাদক, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও কল্যান সমিতি, পটুয়াখালী।
৭. আজীবন সদস্য, বি এন এস বি চক্ষু হাসপাতাল, পটুয়াখালী।
৮. আজীবন সদস্য, রেড ক্রিসেন্ট সমিতি, পটুয়াখালী।
৯. আজীবন সদস্য, পরিবার পরিকল্পনা সমিতি, পটুয়াখালী।
১০. আজীবন সদস্য, ডায়াবেটিক সমিতি, পটুয়াখালী
১১. কার্য নির্বাহী সদস্য, রোটারী ক্লাব, পটুয়াখালী।
১২.উপদেষ্টা , গ্রাম ডাক্তার কল্যান সমিতি, পটুয়াখালী জেলা।
১৩. সদস্য, চেম্বার ্অব কমার্স, পটুয়াখালী ।
১৪. আজীবন সদস্য, বি এম এ বাংলাদেশ।
১৫. সাধারন সম্পাদক , শহীদ মাহমুদুর রহমান পলাশ ফাউন্ডেশন, পটুয়াখালী।
১৬. কার্যকরী সদস্য, টেংরাখালী সিনিয়র মাদ্রাসা।.
১৭.উপদেষ্ঠা, শহীদ স্মৃতি পাঠাগার, লাউকাঠী।

দেশের বরণ্য বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ ও শুভাকাক্ষী মহলের সাক্ষাৎকার :

১৩. ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনা:

চিকিৎসক হিসেবে:

১.চিকিৎসক হিসাবে বাংলাদেশে এমন একটি চিকৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যান্ত গ্রাম পর্যায়ের সাধারন মানুষ অতি সহজে এবং বিনা মূল্যে চিকিৎসা সহায়তা পাবেন।

২. আরও উন্নততর প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা নীরিক্ষা জেলা সদরে করার ব্যবস্থা করা ।

৩. মায়ের নামে ১টি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা যেখানে বিনামুল্যে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের উন্নততর চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।

মেয়র হিসেবে ঃ-

১. ভিষন ২০-২১ কে সামনে রেখে পটুয়াখালী পৌরসভার সকল কর্মসুচীকে Digital করা।
২. মাদক মুক্ত যুব সমাজ বিনির্মান এবং যুব সমাজের জন্য কর্মসস্থানের ব্যবস্থা করা।
৩. পটুয়াখালী পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসন।
৪.পৌরসভার সকল ওয়ার্ডের সকল নাগরিককে সুপেয় পানি সরবরাহ এমনকি পৌরসভা সংলগ্ন ইউনিয়ন গূলোতে সুপেয়
পানি সরবরাহ।
৫. সোলার সিস্টিমের মাধ্যমে মসজিদ মন্দির সহ সমগ্র শহরকে আলোকিত করা
৬. পৌরসভার আওতাভুক্ত সকল রাস্তা পাকা করন এবং সকল রাস্তার পাশে পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মান
(চলমান প্রক্রিয়া)।
৭. নিউ মার্কেট ও পুরান বাজার কাচা বাজার কে ফরমালিন মুক্ত বাজার করা।
৮. পৌরসভা কতৃক প্রদত্ত সেবা সমুহ নিরবিছিন্ন করার জন্য ২৪ ঘন্টার জন্য জরুরী সেবা কেন্দ্র চালু করা।
৯. পৌরসভার আয় বৃদ্ধির জন্য আরও নতুন মার্কেট স্থাপন।
১০. অবহেলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের উন্নয়নের জন্য পৌরসভার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তা পরিচালনা করা।
১১. সমগ্র শহরকে সার্বক্ষনিক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
১২. একান্ত প্রয়োজন না হলে জনগনের উপর নতুন কোন করের বা বিলের বোঝা চাপিয়ে না দেয়া।
১৩. পৌর সভার সকল সেবা ও তথ্য ব্যবস্থাকে জনগনের জন্য উম্মুক্ত করা।

সর্বোপরি একটি নিবিড়, সম্প্রসারিত, অংশগ্রহণ মূলক ও স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন প্রক্রিয়া চালূ করা যেখানে পৌর নাগরিকদের মতামতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে পটুয়াখালী পৌরসভাকে বাংলাদেশের একটি মডেল পৌরসভায় রূপান্তরিত করা হবে।